Solvers

Please wait...

Awesome Image

বান্দরবানের লামা থানার সরই ইউনিয়নে ১৯৯৮ সালে কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত হয় কোয়ান্টাম মেডিটেশন সেন্টার।
তিন বছর পর ২০০২ সালে স্থানীয় কিছু দুঃস্থ পাহাড়ি ও বাঙালি শিশুকে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান ও শিক্ষার সুবিধা দিয়ে গঠিত হয় কোয়ান্টাম কসমো স্কুল!মাত্র ৭টি শিশু নিয়ে শুরু হলেও আজ (২০১৯) এ স্কুলের ছাত্রসংখ্যা দুহাজার! সূচনা ও শিশুসহ প্রথম থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষাদান হচ্ছে!

কলেজ পেরোনো এখানকার প্রায় সব শিক্ষার্থীই পড়ছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের প্রথমসারির সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়, বুয়েট ও সরকারি মেডিকেল কলেজে!এমবিবিএস চিকিৎসক ও কম্পিউটার প্রোগ্রামার হিসেবে পেশাজীবন শুরু করেছে প্রথম ব্যাচের দু'ছাত্র! ২০১৪ থেকে নেয়া শুরু হয়েছে মেয়েশিশুদেরও। দুহাজার শিক্ষার্থীর মধ্যে ৩০৫ জনই মেয়ে।
প্রাইমারি, হাইস্কুল, কলেজ এবং মেয়ে কোয়ান্টাদের আলাদা আবাসন ছাড়াও পাঠদানের জন্যে রয়েছে আলাদা আলাদা ক্লাসকক্ষ, ক্রীড়াশিক্ষা ভবন, বিজ্ঞানাগার, পাঠাগার, কম্পিউটার ল্যাব ও মিলনায়তন!
২০১৬ এবং ২০১৭ – পর পর দুবছরই ক্রীড়ানৈপুণ্যে দেশের সেরা স্কুল নির্বাচিত হয়েছে স্কুলটি। জাতীয় ক্রীড়া প্রতিযোগিতার স্কুলভিত্তিক যে-কোনো আসরে ‘কোয়ান্টাম কসমো স্কুল’ মানেই চমকপ্রদ ফল!
স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে প্রতিবছর ঢাকায় আয়োজিত জাতীয় শিশুকিশোর সমাবেশ ও কুচকাওয়াজে ২০১৫ সাল থেকে টানা প্রথম স্থান লাভ করে আসছে কোয়ান্টাম কসমো স্কুল!

যে লক্ষ্যে এ স্কুলটি প্রতিষ্ঠিত-

শিক্ষা ও সুযোগ পেলে বঞ্চিত শিশুরাও যে মেধার স্বাক্ষর রাখতে পারে, সে দৃষ্টান্ত স্থাপনের জন্যেই এই উদ্যোগ।

এ স্কুলের উদ্দেশ্য

-দেশের পশ্চাদপদ পাহাড়িসহ অন্যান্য সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর শিশুদের শিক্ষা ও আত্মবিকাশের সুযোগ করে দেয়া
-শিশুবয়স থেকেই ধ্যানের শক্তিকে কাজে লাগিয়ে বিশুদ্ধ মেধা, প্রতিভা ও সম্ভাবনাকে যে বিকশিত করা সম্ভব তার দৃষ্টান্ত স্থাপন
-পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর ভাগ্যোন্নয়ন
-জাতীয় উন্নয়নেও যাতে তারা অবদান রাখতে পারে  
-নৃগোষ্ঠীগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সম্প্রীতি ও মমত্ব
-প্রতিটি শিক্ষার্থীর নিজস্ব সৃজনশীলতার বিকাশ

Comments 0

    No Comment

Leave a reply Your email address will not be published. Required fields are marked*